প্রচ্ছদ

প্রাথমিকে ১৫ হাজার ৬৭২ শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার

প্রকাশিত হয়েছে : ৯:৪১:৩৬,অপরাহ্ন ১১ অক্টোবর ২০১৫ | সংবাদটি ৩৩২ বার পঠিত

সিলেটেরকন্ঠডটকম

llllসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫ হাজার ৬৭২ জন শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এছাড়া সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য ৬ হাজার শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলনের লক্ষ্যে প্রাথমিকে ১৪ হাজার ৬৮৪টি মাল্টিমিডিয়াসহ ল্যাপটপ সরবরাহ করা হবে।

শিক্ষার্থী বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও উদ্ভাবনী লক্ষ্য নিয়ে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জন্য চারটি বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই হয়েছে।

রবিবার সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিটের এ চুক্তি সই হয়।

চুক্তির আওতায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য ছয় হাজার শ্রেণিকক্ষ ও ছয় হাজার নলকূপ স্থাপন এবং নয় হাজার ওয়াশ ব্লক নির্মাণ করবে।

নির্ধারিত সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিনামূল্যে ১১ কোটি ২০ লাখ পাঠ্যপুস্তক বিতরণ; প্রাথমিক শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলনের লক্ষ্যে ১৪ হাজর ৬৮৪টি মাল্টিমিডিয়াসহ ল্যাপটপ সরবরাহ; ৭৮ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান ও ৩২ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে ২০০টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ; নয়টি পিটিআইয়ের কাজ সম্পন্ন; সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫ হাজার ৬৭২ জন শিক্ষক নিয়োগ; প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নের প্রবর্তন; বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৬৩ হাজার ৮০০ বিদ্যালয়কে উন্নয়ন বরাদ্দ প্রদান করা হবে।

উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লক্ষ্যগুলো হলো- মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৬৪ জেলার ৬৪ উপজেলায় ১৫-৪৫ বছর বয়সী ১১ লাখ ৫২ হাজার নিরক্ষর নর-নারীকে মৌলিক স্বাক্ষরতা এবং জীবন দক্ষতামূলক শিক্ষা ও জীবিকায়ন দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান।

বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবসরগ্রহণকারী/মৃত তিন হাজার শিক্ষককে কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ড থেকে এককালীন আর্থিক সুবিধা প্রদান করবে।

এছাড়া অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি; মামলার কারণে যে সব বিদ্যালয়/শিক্ষক জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়েছে, যাচাই-বাছাই করে তাদের জাতীয়করণের আওতায় আনা এবং ৩০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে।

নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের মে মাস পর্যন্ত সাতটি বিভাগের নির্বাচিত ২০টি বিদ্যালয়ে পাইলটটিং কার্যক্রম এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মেছবাহ উল আলম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পক্ষে মহাপরিচালক মো. আলমগীর, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক রুহুল আমীন সরকার, নেপ’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক শাহ আলম ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট’র মহাপরিচালক মো. আব্দুল হালিম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই হয়।

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com