ইরাকে বিক্ষোভকারী হত্যায় পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: ১:২৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০১৯

ইরাকে বিক্ষোভকারী হত্যায় পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

ইরাকে সরাসরি গুলি চালিয়ে বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পুলিশের আরেক কর্মকর্তাকে দেয়া হয়েছে সাত বছরের কারাদণ্ড।

চলমান বিক্ষোভের মুখে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ প্রক্রিয়ার মাঝেই রোববার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে শাস্তি ঘোষণা করেন দেশটির একটি আদালত।

গত ২ নভেম্বর ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহরে গুলি করে সাত বিক্ষোভকারীকে হত্যা করায় ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। রায়ে তাদের একজনকে ফাঁসি ও অন্যজনকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ইরাকে দুই মাস ধরে চলা ভয়াবহ সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতায় পুলিশের বিরুদ্ধে দণ্ডের এটাই প্রথম কোনো ঘটনা। খবর এএফপির।

বেকারত্বের উচ্চহার হ্রাস ও দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে প্রায় দু’মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে ইরাকের জনগণ। আন্দোলনে পুলিশের হাতে এরই মধ্যে প্রাণ হারিয়েছে চারশ’রও বেশি বিক্ষোভকারী। জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদেল মাহাদি।

শুক্রবার এক লিখিত বক্তব্যে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষণার পর রাজধানী বাগদাদের ঐতিহাসিক তাহরির স্কয়ারে একত্র হয়ে উল্লাস করে আন্দোলনকারীরা। কিন্তু পদত্যাগের ঘোষণার পরও বিক্ষোভ থামেনি।

শনিবার পার্লামেন্টে পদত্যাগপত্র জমা দেন প্রধানমন্ত্রী মাহাদি। তবে পদত্যাগকেই যথেষ্ট মনে করছে না বিক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা।

রাজধানী বাগদাদসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। কর্মসংস্থানের সংকট, নিুমানের সরকারি পরিষেবা এবং দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ১ সেপ্টেম্বর বাগদাদের রাজপথে নামে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী।

নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস ও গুলি চালিয়ে তাদের ওপর চড়াও হলে এই বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়ে ওঠে, ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন শহরে। গত বুধবার নাজাফে ইরানি দূতাবাসে বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর বিক্ষোভ জোরালো হয়ে ওঠে। নিহত হয় প্রায় ৩০ জন বিক্ষোভকারী।

এ নিয়ে গত কয়েক মাসের বিক্ষোভে প্রায় চারশ’ মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১৫ হাজার।

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« নভেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com