সিলেট মহানগর আ.লীগের সভাপতি হচ্ছেন আসাদ উদ্দিন ?

প্রকাশিত: ৬:৩৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১, ২০১৯

সিলেট মহানগর আ.লীগের সভাপতি হচ্ছেন আসাদ উদ্দিন ?

বিশেষ প্রতিদেবন : সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ। বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়। ব্যক্তিগত ভাবে একজন পরিচন্ন রাজনীতিবিদ তিনি। দীর্ঘদিন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থাকার পরও নিজে রিকশা চড়ে চলাফেরা করেন। এক কথায় সাদাসিদে জীবনের অধিকারী এইনেতা যে কোন কর্মীর ডাকে সাড়া দিয়ে ত্যাগ স্বীকারের নজির রয়েছে। কোন রকম অহংকার তাকে স্পর্শ করেনি।
বিগত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের সভানেত্রীর কথা নিজের অবস্থান থেকে সরে দাড়ান। সুযোগ করে দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে। এ নিয়ে কোন অনুসুচনা নেই তার। এবার নেত্রীয় আসাদ উদ্দিনের কর্ম আর ত্যাগের মূল্যায়ন করবেন।
ছাত্রজীবন থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আসন্ন সিলেট মহানগর ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল আগামী ৫ ডিসেম্বর সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্টিত হবে। নেতাকর্মীরা দাবী তুলেছেন আসাদ উদ্দিনকে মহানগরের সভাপতি হিসাবে মনোনিত করার। কারন বর্তমান সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এখন কেন্দ্রীয় সদস্য। তাই তিনি এবার কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক হতে পারেন এমনটা শুনা যাচ্ছে।
তাই মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আসাদ উদ্দিনই সবচেয়ে পরিচন্ন যোগ্যনেতা হিসাবে নেত্রীর গুডবুকে রয়েছেন। তিনিও আস্তা আর বিশ্বাস নিয়ে থাকিয়ে আছেন দলের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকে। কারন সিলেট জেলা ও মহানগরের নেতা নির্বাচন করবেন খোদ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সিলেট নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের নেতকর্মীর কাছে আসাদ উদ্দিন একজন ক্লিন ইমেজের কর্মীবান্ধব নেতা হিসাবে সর্বমহলে সমান গ্রহণ যোগ্যতা রয়েছে। তাই জননেত্রীও তার কর্মের সঠিক মূল্যায়ন করবেন এমনটা আশা নিয়ে বসে আছেন তিনি নেতাকর্মীরা। আসাদ উদ্দিন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সিলেট চেম্বারের প্রশাসক হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু একটি নির্বাচন উপহার দিয়েছেন তিনি। আসাদ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক জীবন শুরু ১৯৭৭ সালে ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবেই রাজনীতিতে আগমন, ১৯৭৮ সালে ছাত্রলীগ মনোনিত প্যানেল থেকে খেলাধুলা সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে একই প্যানেল থেকে ছাত্র মিলনায়তন সম্পাদক।১৯৮০ সালে ছাত্রলীগের একাংশের প্যানেল থেকে মদন মোহন কলেজ ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচন। ১৯৮২ সালে মদন মোহন কলেজ ছাত্রসংসদের সহ সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত।১৯৮০ সালের শুরুতে কলেজ ছাত্রলীগের সম্মেলনে সভাপতির দায়িত্ব লাভ। ১৯৮১ সালে তিনি সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সদস্য মনোনিত। ১৯৮৩ সালে জাতীয় পরিষদ সদস্য। ১৯৮৬ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি।একই সাথে তিনি ছাত্রলীগের সুলতান-রহমান কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের এসব পদে দায়িত্ব পালনকালে ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের জনন্দীত নেতা নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। প্রায় একযুগ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আসাদ উদ্দিন। ২০০৩ সালে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ২০১১ সালে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এখনো এই পদেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি। আসন্ন কাউন্সিলে মহানগর আওয়ামী লীগের কান্ডারীর সভাপতি পদটি প্রায় নিশ্চিত বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান করে নিতে পারেন নিজ যোগ্যতায়।

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« নভেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com