আমার নেতা আবুল কাশেম পল্লব…

প্রকাশিত: ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৯

আমার নেতা আবুল কাশেম পল্লব…

জাহেদ আহমদ

যতদিন বিয়ানীবাজারে থাকবেন জনাব আবুল কাশেম পল্লব ততদিন বিয়ানীবাজারের সাধারণ মানুষ সুখে শান্তিতে থাকবে প্রিয় আবুল কাশেম পল্লব ভাই আপনার কথা বলে আমি শেষ করতে পারবো না আপনার কথা বলে আমি কি বলবো আপনার কথা গোটা বিয়ানীবাজার বাসি যানে আমি যতদিন বেচে থাকবো আপনার আর্দশের রাজনীতি করে যাবো আপনি আমার জন্য এই দোয়াটি করবেন, যখন শুনেছি আমাদের প্রিয় নেতা আবুল কাশেম পল্লব ভাই বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি থেকে অব্যহতি নিয়েছেন আমার চোখে জল চলে আসছে আমার প্রিয় নেতা আবুল কাশেম পল্লব ভাই রাজনীতির জীবনে অনেক নির্যাচিত হয়েছেন আবুল কাশেম পল্লব ভাইয়ের দোষ হচ্ছে তিনি সৎ পথে রাজনীতি করেন আবুল কাশেম পল্লব ভাই কোন মানুষের দালালী করেন না কোন তেল বাজ নেতাকে তেল মারেন না এই কারণে বার বার আমার প্রিয় নেতা নির্যাচিত হয়েছেন প্রিয় আবুল কাশেম পল্লব ভাই আপনার কাছ থেকে সব কর্মী মায়া ভালবাসা পেয়েছে আমরা আপনাকে কোন দিন ভুলবো না আপনি সব সময় আমাদের মাঝে আছেন থাকবেন আপনি আমাকে আপনার ছোট ভাইয়ের মত ভালবাসেন আপনি সাধারণ মানুষের নেতা
আবুল কাশেম পল্লব ভাই সৎ, নিষ্ঠাবান ও আদর্শবান এক প্রদীপ্ত যুবকের নাম। যিনি জীবনদর্শন, কর্ম, আচার-ব্যবহার দিয়ে জয় করে নিয়েছেন বিয়ানীবাজারের সর্বস্তরের মানুষের মন। বর্তমানে তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এর দায়িত্বে আছেন। আওয়ামীলীগ পরিবার থেকে বেড়ে উঠেছেন পল্লব ভাই, এই পারিবারিক পরিচয় ছাড়াও পল্লব ভাই এর রয়েছে নিজশ্ব সুবিশাল পরিচয়। একেবারে তৃণমূল থেকে উঠে আশা পল্লব ভাই দীর্ঘ সময় সফলতার সাথে ছাএ নেতৃত্ব দিয়ে যুবনেতার পরিণত হয়ে আস্থা ও ভালোবাসার অর্জন করেছেন সর্বশ্রেনীর মানুষের। ১৯৯৩ সালে ৯ম শ্রেণীতে ছাত্র থাকাকালীন সময়ে জননেতা আবুল কাশেম পল্লব ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে এস.এস.সি পরিক্ষায় উর্ত্তীন হয়ে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সক্রীয় হন। শুরু করেন ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার কাজ। ১৯৯৬ সালে একাদশ শ্রেণীর ১ম বর্ষের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে, বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রহসনের নির্বাচন ঠেকাতে নিদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবস্থান নিলে তৎকালীন খালেদা জিয়ার পুলিশ বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারত্মক ভাবে আহত হন। এবং ঐ দিন বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্রলীগ নেতা হুমায়ুন কবীর চৌধুরী নাহিদ প্রহসন নির্বাচন ঠেকাতে পুলিশ বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। মূহুর্তের মধ্যে পুরো উপজেলায় হুমায়ুন কবীর চৌধুরী নাহিদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সাবেক ছাত্রলীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের সাথে শহীদ নাহিদ হত্যার প্রতিবাদ ও প্রহসনের নির্বাচন ঠেকানোর আন্দোলনে আহত অবস্থায় তরুন ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাশেম পল্লব রাজপথে নেমে আসেন। পরর্বতিতে ১৯৯৬ সালে গনমানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলে তখনকার সাবেক দায়িত্বশীল ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে উপজেলা ছাত্রলীগ কে সুসংগঠিত করার জন্য সাংগঠনিক কার্যকম চালিয়ে যান।
১৯৯৯ সালে ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে জি.এস পদে নির্বাচন করে মাত্র (০১) ভোটে পরাজিত হন। ২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকার রষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর জোট সরকারের শাসনামলে নির্যাতন ও মিথ্যো মামলায় জর্জরিত থাকা অবস্থায় ২০০৪ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ২০০৫ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক নির্বাচিত হন।
ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক থাকাকালীন সময়ে তৃনমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারন জনগনের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। তখনকার সময়ে আবুল কাশেম পল্লবের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েছিল একটি বিশেষ মহল। কিভাবে আবুল কাশেম পল্লবকে কোনঠাসা করা যায়। বিপ্লবী ছাত্র নেতা আবুল কাশেম পল্লব রাজপথে থেকে ছাত্র রাজনীতির সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যান। ২০০৬ সালে ৭ই জুলাই একাদশ শ্রেণীর নবীন-বরন অনুষ্টানে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে পুলিশের সহযোগিতায় জামায়াত-শিবিরের অর্তকিত হামলায় শতাধিক নেতাকর্মীসহ আবুল কাশেম পল্লব মারাত্মকভাবে আহত হন ও ৩০টি মোটর-সাইকেলে অগ্নি সংযোগ করে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং ৮ই আগষ্ট মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। পরর্বতিতে ১/১১ এর সময় ১ মাস কারাবরন করেন তিনি। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম নাহিদ কে বিজয়ী করতে বলিষ্ট ভূমিকা রাখেন এবং সিলেট ৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে নুরুল ইসলাম নাহিদ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী হন। ছাত্র রাজনীতির মধ্য গগনে থাকা অবস্থায় ২০০৯ সালে বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে সমগ্র বাংলাদেশের সর্ব কনিষ্ট বিয়ানীবাজার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সিলেট বিভাগ তথা বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্র রাজনীতির ইতিহাস কে আলোকিত করেন। সততা ও দক্ষতার সহিত দ্বায়িত্ব পালনের
সাড়ে দেড় বছরের মাথায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল খালিক মায়ন সাহেবের অকাল মৃত্যু হলে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যানের যোগ্যতা থাকা সত্বেও একটি বিশেষ মহলের ঈশারায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্ধিতা করে চব্বিশ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত থাকা সত্বেও তেরশত ভোটের ব্যবধান দেখিয়ে নিশ্চিত বিজয় কে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ২০১৫ সালে আবুল কাশেম পল্লব সহ শতাধিক নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয় এবং সেই মামলায় নেতা-কর্মীসহ আবুল কাশেম পল্লব ২মাস কারাবরন করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়ে পথসভা ও প্রচার মিছিলের আয়োজনে হাজার হাজার জনসাধারনের উপস্থিত হলে, পুলিশ বাহিনী দিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়। ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে, দল-মত নির্বিশেষে ৩২ হাজার ভোট পেয়ে প্রায় ১৮ হাজার বিশাল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে বিজয়ী হন। এ বিজয় বিয়ানীবাজার উপজেলাবাসীর সর্বস্থরের জনসাধারনের বিজয়।
প্রিয় আওয়ামীলীগ পরিবার, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রাজপথের সৈনিক ও রাষ্ট্রনায়ক জননেএীর শেখ হাসিনার নিরলস কর্মী হিসাবে সর্বশ্রেনী ও পেশার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার অর্জন করেছেন নিজশ্ব ব্যক্তিত্ব ও কর্মগুনে। বড়দের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা ও ছোটদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার এই হলো পল্লব ভাইয়ের এর অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। আমার নেতা স্বপ্ন দেখেন যে, বিয়ানীবাজারের কল্যানে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে রাষ্ট্রনায়ক জননেএী শেখ হাসিনার পথ ধরেই তিনি এগিয়ে যাবেন বহুদূর। আসন্ন বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবুল কাশেম পল্লব ভাইকে দেখতে চাই ।

ইতি ‘
আপনার আর্দশের কর্মী

জাহেদ আহমদ
সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগ

কুড়ার বাজার ইউপি শাখা

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« নভেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com