প্রচ্ছদ

১৭ কোটি টাকা লোপাটের মামলা: সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন কারাগারে

প্রকাশিত হয়েছে : ২:৪৪:৫০,অপরাহ্ন ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | সংবাদটি ১৩ বার পঠিত

সিলেটেরকন্ঠডটকম

হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনার নামে প্রায় ১৭ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক শেখ মফিজুর রহমান জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ডা. তৌহিদুর রহমান ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তিনি নিু আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন।

জানা যায়, মার্চের শেষদিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার মালামাল ক্রয়ে দুর্নীতির ঘটনা ফাঁস হয়। এ নিয়ে যুগান্তরসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকার খবর প্রকাশিত হয়। জোরদার আন্দোলন শুরু করে সাতক্ষীরার নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ। এরপর এ ঘটনার তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়। এরই মধ্যে অবসরে চলে যান ডা. তৌহিদুর রহমান। তদন্তে এসে দুদক কর্মকর্তারা ক্রয়কৃত মালামালের সন্ধান না পেলেও এ সংক্রান্ত বিল পরিশোধের কাগজপত্র হাতে পান। এর কোনো সন্তোষনজক জবাব দিতে ব্যর্থ হন সাবেক সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্টরা। পরে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. জালালউদ্দিন বাদী হয়ে তৎকালীন সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সাবেক স্টোর কিপার একেএম ফজলুল হক, হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন, রাজধানীর ২৫/১ তোপখানা রোডের বেঙ্গল সায়েন্টেফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির কর্ণধার ঠিকাদার মো. জাহের উদ্দিন সরকার, তার ছেলে মো. আহসান হাবিব, জাহের উদ্দিনের বাবা মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার হাজী আবদুস সাত্তার সরকার এবং তার ভগ্নিপতি ইউনিভার্সেল ট্রেড কর্পোরেশনের কর্ণধার মো. আসাদুর রহমান, জাহের উদ্দিন সরকারের নিয়োগকৃত প্রতিনিধি কাজী আবু বকর সিদ্দিক, মহাখালী নিমিউ অ্যান্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী এএইচএম আবদুল কুদ্দুস। এদের মধ্যে আসামি হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন এরই মধ্যে আত্মসমর্পণ করে জেল হাজতে রয়েছেন।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com