প্রচ্ছদ

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ে মুশফিকেরও অবদান আছে!

প্রকাশিত হয়েছে : ৯:৪৯:৩৯,অপরাহ্ন ১৬ জুলাই ২০১৯ | সংবাদটি ১৬ বার পঠিত

সিলেটেরকন্ঠডটকম

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। ইয়ন মরগানদের বিশ্বকাপ জয়ে বাংলাদেশ দলের তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমেরও অবদান আছে।

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক বেন স্টোকস বলেন, শেষ বলের আগে আমার মাথায় শুধু ঘুরছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সেই ম্যাচের কথা। নিজেকে বলছিলাম, ছয় মেরে হিরো হওয়ার চেষ্টা করা যাবে না। উড়িয়ে মারতে গেলে সেটা ক্যাচ হয়ে যেতে পারে। তার চেয়ে অন্তত এক রান নিয়ে ম্যাচটা সুপার ওভারে নিতে পারলেও আমাদের সুযোগ থাকবে। দুই রান হলে তো কথাই নেই। এটাই ছিল আমার চিন্তাধারা।

শিরোপা জয়ের পর বেন স্টোকস আরও বলেন, আমরা এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একই সঙ্গে অ্যাশেজ জয়ীও হতে চাই। মাত্রই বিশ্বকাপ জিতেছি, এখনও গলায় চ্যাম্পিয়নের পদক ঝুলছে। দুটো দিন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গর্বের অনুভূতি উপভোগ করতেই পারি। এটা আমাদের প্রাপ্য। কিন্তু অ্যাশেজে যখন নামব তখন গলায় কোনো পদক ঝুলবে না। সেই পদক আমাদের অর্জন করতে হবে। শেষ ম্যাচে আপনি জেতেন বা হারেন, পরের ম্যাচে আবার শূন্য থেকেই সব শুরু করতে হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে অবিশ্বাস্যভাবে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ওভারে অকারণে বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। তার বিদায়ে জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় টাইগারদের। মুশফিকের সেই শিক্ষাটাই কাজে লাগিয়েছেন বেন স্টোকস।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৪২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৮৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া দলকে খেলায় ফেরান বেন স্টোকস। পঞ্চম উইকেটে জস বাটলারের সঙ্গে গড়েন ১১০ রানের জুটি। আর সেই জুটিতেই জয়ের বন্দরে চলে যায় ইংলিশরা। তবে শেষ বলে দুই রান নিতে গিয়ে মার্ক উড রান আউট হলে ম্যাচে টাই করে ইংল্যান্ড।

খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেও ম্যাচ টাই। তবে মূল ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ৮টি বাউন্ডারি বেশি হাঁকানোয় সুপার ওভারের আইনে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com