একবছরে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এক লক্ষাধিক মামলা

প্রকাশিত: ৯:০৬ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০১৯

একবছরে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এক লক্ষাধিক মামলা

জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত, সাজাপ্রাপ্ত ও আটক জঙ্গিদের নিবিড় নজরদারির ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সোমবার জাতীয় সংসদে মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের এক প্রশ্নের জবাবে জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূল সংক্রান্ত বর্তমান সরকারের গৃহীত জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশালাইজড গঠনের পাশাপাশি উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, অপারেশনাল ও লজিস্টিকস সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া গোয়েন্দা নজরদারি এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে জঙ্গি আস্তানা, জঙ্গিদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জঙ্গি সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত/শনাক্তকরণের সুবিধার্থে এলাকাভিত্তিক ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং বিডি পুলিশ হেল্প লাইন, হেলো সিটি ও রিপোর্ট টু র‌্যাব প্রভৃতি অনলাইন অ্যাপস চালু এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, জঙ্গি দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এযাবৎ অনেকগুলো সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং যে কোনো ধরনের জঙ্গি সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সদা তৎপর রয়েছে। পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জঙ্গিদের গ্রেফতার করে বিচারের জন্য আদালতে সোপর্দ করার কার্যক্রমও অব্যাহত আছে। জঙ্গি হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত, সাজাপ্রাপ্ত ও আটক জঙ্গিদের নিবিড় নজরদারির ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ দমনের সফলতা বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মো. মুজিবুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ২০১৮ সালে এক লাখ ৬১ হাজার ৩২৩ জন মাদক কারবারির বিরুদ্ধে এক লাখ ১৯ হাজার ৮৭৮টি মামলা দায়ের করেছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি-মে পর্যন্ত ছয় হাজার ৬৭১ জন মাদক কারবারির বিরুদ্ধে ছয় হাজার ১৫৬টি মামলা করা হয়েছে। প্রতিদিন মাদকবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে মাদক কারবারিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মাদক সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ পর্যন্ত মহাপরিচালক পর্যায়ে পাঁচটি ফলপ্রসু দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ষষ্ঠ দ্বি-পাক্ষিক সভার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইয়াবা পাচার রোধকল্পে বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে এ পর্যন্ত তিনটি দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি সভাতেই মিয়ানমারকে ইয়াবার উৎপাদন ও প্রবাহ বন্ধ করার জন্য এবং মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত ইয়াবা তৈরির কারখানা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়। মিয়ানমারের সঙ্গে চতুর্থ দ্বি-পাক্ষিক সভা আগামী অক্টোবর মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

অক্টোবর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« সেপ্টেম্বর    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com