প্রচ্ছদ

কারাগারে ইমতিয়াজ মাহমুদ

প্রকাশিত হয়েছে : ১১:৪৮:৫৮,অপরাহ্ন ১৬ মে ২০১৯ | সংবাদটি ৩৬ বার পঠিত

সিলেটেরকন্ঠডটকম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার মামলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে ইমতিয়াজ মাহমুদকে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নাকচ করে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২০১৭ সালের জুলাই মাসে খাগড়াছড়ির এক পুরনো মামলায় বনানী থানা পুলিশ এই আইনজীবীকে সকালে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে।

অন্যদিকে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান (রচি) ও সাখাওয়াত হোসেনসহ (তাসলিম) কয়েকজন আইনজীবী ইমতিয়াজ মাহমুদের পক্ষে জামিন আবেদন করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মুক্তচিন্তা ও বাক স্বাধীনতার পক্ষে লেখালেখি করা ইমতিয়াজ মাহমুদ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ২০১৭ সালে খাগড়াছড়ি সদর থানায় ইমতিয়াজ মাহমুদের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার এ মামলা করেন। তার অভিযোগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে ফেসবুকে ‘উসকানিমূলক’ মন্তব্য করেছেন। সে সময় এ মামলায় গ্রেপ্তার হলেও পরে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত জামিন পান ইমতিয়াজ।

বনানী থানার ওসি বিএম ফরমান আলী গ্রেপ্তার সম্পর্কে বলেন, “তার (ইমতিয়াজ মাহমুদ) নামে খাগড়াছড়ি থেকে একটা ওয়ারেন্ট এসেছে। আজ সকালে ওই ওয়ারেন্টে তাকে বনানীর বাসা থেকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি।”

এদিকে, আদালতে জামিন শুনানিতে ইমতিয়াজের আইনজীবী বলেন, “চার্জশিট দাখিল পর্যন্ত তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। হয়ত কোনো একটা কাগজ আদালতে না পৌঁছানোর কারণে এরকমটি হয়েছে। আমরা তার জামিন চাচ্ছি “

বিচারক তখন বলেন, “২০১৯ সালের ২১ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আর চার্জশিটও বোধহয় চলে এসেছে।”

ইমতিয়াজের আইনজীবী তখন আবারও বলেন, “কোথাও একট ভুল হচ্ছে।”

বিচারক তখন বলেন, “ভুল আপনাদের হতে পারে আবার আমাদেরও হতে পারে। আর আমার কাছে তো মূল নথি নাই।”

এরপর জামিন নাকচ করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com