আরিফের প্রতি তীব্র ক্ষোভ কর্মীদের

প্রকাশিত: ১:৪৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৪, ২০১৮

আরিফের প্রতি তীব্র ক্ষোভ কর্মীদের

মাত্রই শেষ হলো সিসিক নির্বাচন।নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে পরাজিত করে চমক দেখিয়ে জয় তুলে নেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।তা জয়ের পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম ছিলো জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৃণমূলের কর্মীদের।কিন্তু নির্বাচনের বিজয়ের দিন থেকেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট।বিজয় মিছিল শেষ করে আসার পরেই আরিফের বাসার সামনেই নিজ দলের ক্যাডারদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন ছাত্রদল নেতা ফয়জুল হক রাজু।কর্মীরা তখন থেকেই আরিফের উপর বিরুপ প্রতক্রিয়া প্রকাশ করতে থাকেন কারন রাজু হত্যার জন্য দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামী আব্দুর রকিব চৌধুরী মেয়র আরিফেরই যে ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত।এমনকি হাসপাতালের মর্গে রাজুর লাশ দেখতে গিয়েও রাজুর সহকর্মী ও তার পরিবারের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় আরিফুল হককে।রাজু লাশ নিয়ে ফিরার সময় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নিয়ে যায় আরেক ছাত্রদল নেতা আনোয়ার হোসেন রাজুকে।অথচ রাজু হত্যার পর থেকেই হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে সামনের সাড়িতেই আনোয়ার হোসেনকে দেখা যায়।তাকে ছাড়াতে থানায় গেলে গ্রেফতার দেখানো হয় জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাসুর রহমান মুন্না ও সাবেক সহ সভাপতি লিটন আহমদকে।অনেকেই তখন যান মেয়র আরিফের কাছে কারন তিনি অনুরোধ করলে হয়তো পুলিশ তাদের ছেড়ে দিতে পারে।কিন্তু মেয়র আরিফ তাদের এ অনুরোধে সাড়া দেননি।তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়র আরিফের উপর তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্মীরা।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ছাত্রদল নেতা বলেন-“নির্বাচনের আগে উনার কর্মীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে উনি দুইবার থানার সামনে অনশনে বসতে পারলেন অথচ আজ নির্দোষ তিন কর্মীকে ছাড়িয়ে আনার জন্য উনি একটিবারের জন্য থানায় আসার প্রয়োজন মনে করলেন না?তখন নিজের স্বার্থ জড়িত ছিলো এখন শেষ হয়ে গেলো?”
এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা এমরান আহমদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান “মেয়র সাহেব ফোনে কথা বলেছেন”।এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২০
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com