প্রচ্ছদ

নেইমারদের ছেলেবেলার বিশ্বকাপ

প্রকাশিত হয়েছে : ৪:৩২:১৯,অপরাহ্ন ১২ জুন ২০১৮ | সংবাদটি ১৮ বার পঠিত

সিলেটেরকন্ঠডটকম

রাশিয়া বিশ্বকাপ যারা কাঁপাবেন, কেমন ছিল তাদের প্রথম বিশ্বকাপ দেখার অভিজ্ঞতা? নেইমার, জেসুস, ফ্যালকাও, পগবা ও আলকানতারা ফিফার ওয়েবসাইটে বিশেষ সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন সেই অমলিন স্মৃতি-

নেইমার (ব্রাজিল)

১৯৯৮ বিশ্বকাপের সামান্য ঘটনা আমার মনে আছে। তখন আমার বয়স মাত্র দুই বছর। টিভিতে ব্রাজিলের ম্যাচ দেখেছিলাম। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে রোমারিও গোল করেছিলেন। মনে আছে, বেবেতোর ক্রস। বল ধরেই রোমারিওর গোল।

গ্যাব্রিয়েল জেসুস (ব্রাজিল)

গত তিনটি বিশ্বকাপে আমি ফাবেলার রাস্তায় রাস্তায় রং করে বেড়াতাম। এভাবেই বিশ্বকাপ সেলিব্রেট করতাম। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছি। এবার সবকিছু ফিরিয়ে দেয়ার সময় এসেছে।

লুকা মডরিচ (ক্রোয়েশিয়া)

১৯৯৮ বিশ্বকাপে আমার বয়স ১৩ বছর। জাদার শহরে বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে মিলে ম্যাচ দেখতাম। একের পর এক ম্যাচ জেতায় সবাই আমাদের দেশকে চিনতে শুরু করে। ওখান থেকেই আমার স্বপ্ন দেখা শুরু।

পল পগবা (ফ্রান্স)

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩-০ গোলের জয় আমার প্রথম ফুটবল স্মৃতি। তখন আমার বয়স ছয় বা সাত। ফ্রান্স ম্যাচ জেতার পর সবাই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়েছিলাম। মনে আছে, বাবা বাড়ি ফেরার পর আরও বেশি উৎসব হয়েছিল। দেশের জয় গাড়ির ওপর উঠে উদযাপন করেছিলাম।

থিয়াগো আলকানতারা (স্পেন)

১৯৯৪ থেকে বিশ্বকাপ দেখা শুরু করি। আমার বাবা (ব্রাজিলের মাজিনহো) কাপটা জিতেছিল। তখন আমার বয়স মাত্র তিন বছর। মনে আছে, বাবা বাড়ি ফেরার পর দারুণ উৎসব হয়েছিল। ২০১০ সালে স্পেন-নেদারল্যান্ডস ম্যাচটাও মনে আছে। আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার গোলে বিশ্বকাপটা জিতেছিলাম আমরা। তখন আমি স্পেনের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ফুটবলার।

হাভিয়ের হার্নান্দেজ (মেক্সিকো)

১৯৯৮ থেকে বিশ্বকাপ দেখছি। ওই বিশ্বকাপে আমার আইডল ব্রাজিলের রোনালদো খেলেছিলেন। মনে আছে, খেলা দেখার জন্য আমি ম্যাচের দিন স্কুল থেকে পালিয়ে বাড়ি আসতাম।

রাদামেল ফ্যালকাও (কলম্বিয়া)

১৯৯০ বিশ্বকাপের টুকরো স্মৃতি মনে আছে। তখন মাত্র চার বছর বয়স আমার। ওই বয়সে জার্মানির বিপক্ষে ফেদি রিস্কনের গোলটা মনে আছে। ফলে ওই গোলটা বারবার দেখতাম।

হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড)

২০০২ বিশ্বকাপ ভালোভাবে মনে আছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রোনালদিনহোর টপকর্নার থেকে করা গোলটা আজও মনে আছে। ওটা এখনও আমাকে কষ্ট দেয়। তখন থেকে ভাবতাম দেশের হয়ে কবে বিশ্বকাপ খেলব।

জুলিয়েন ড্র্যাক্সলার (জার্মানি)

২০০৬ থেকে বিশ্বকাপ দেখছি। ওই বিশ্বকাপটা হয়েছিল জার্মানিতে। পরিবারের সবার সঙ্গে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ দেখেছি। জার্মানি যেভাবে খেলেছিল, তাতে পুরো দেশ উত্তাল হয়ে উঠে। প্রতিটি ম্যাচই ছিল উদযাপন করার মতো।

ইগোর আকিনফিভ (রাশিয়া)

১৯৯৪ সালে আমেরিকায় থাকতাম। তখন থেকেই বিশ্বকাপ দেখা শুরু। তখন থেকে ফুটবলটা বুঝতে শুরু করি। ক্যামেরুনের সঙ্গে রাশিয়ার ম্যাচটা এখনও মনে আছে। ৬-১ গোলে আমরা জিতেছিলাম। ওলেগ সালেংকো একাই পাঁচ গোল করেছিলেন।

সন হিউংমিন (দক্ষিণ কোরিয়া)

২০০২ সালে স্পেনের বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার টাইব্রেকার মনে আছে। সেমিফাইনালে ওঠার পর পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। কেউ ভাবেনি এমন কিছু হতে পারে। পুরো টুর্নামেন্টে দলের লাল জার্সি গায়ে জড়িয়ে খেলা দেখেছিলাম।

আলিরেজা জানবক্স (ইরান)

২০০৬ বিশ্বকাপটা ইরানে বসে পরিবারের সবার সঙ্গে দেখেছিলাম। বাবা আমাকে বলেছিলেন, আমার একটা স্বপ্ন, তোমাকে একদিন যেন বিশ্বকাপ খেলতে দেখি। আমি তখন খুব ছোট। কিছুই বুঝিনি তখন। বাবার স্বপ্ন আমাকে ছুঁয়ে গিয়েছিল।

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com