প্রচ্ছদ

মোবাইলের বিকিরণে ইঁদুরের শরীরে টিউমার, মানুষের জন্য সতর্কবার্তা

প্রকাশিত হয়েছে : ১:১৯:০৩,অপরাহ্ন ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | সংবাদটি ২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
A man talks on a mobile phone across from the New York Stock Exchange (NYSE) in New York, U.S., on Monday, March 7, 2016. U.S. stocks fluctuated near two-month highs as commodity shares surged with crude oil, offsetting declines among technology and consumer companies as investors assessed China's growth prospects. Photographer: Michael Nagle/Bloomberg

যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে মোবাইল গোটা বিশ্বকে মানুষের কাছে এনে দিয়েছে। কিন্তু যন্ত্রটির অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণও হতে পারে। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মোবাইল থেকে নির্গত হওয়া বিকিরণে কিছু ইঁদুরের শরীরে বিরল টিউমার দেখা দিয়েছে। তবে মানুষের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিজ্ঞানীদের সন্দেহ রয়েছে।-খবর ব্লুমবার্গ টেকনোলজি অনলাইন।

তারহীন টেলিফোন কোম্পানি যে ধরনের বিকিরণ সচরাচর প্রয়োগ করে, ইঁদুরের শরীরে সেটি প্রয়োগ করলে প্রাণীটির হার্টে এক ধরনের টিউমার ধরা পড়েছে। শুক্রবার এই গবেষণাপত্রটির খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। তবে নারী ইঁদুরের শরীরে এমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি।

ইঁদুর কিংবা এজাতীয় প্রাণীর ওপর স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে গত ১০ বছর ধরে গবেষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা গবেষণা সংস্থা। তবে এ গবেষণার তথ্য-উপাত্ত মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ ইঁদুরের ওপর যে মাত্রায় বিকিরণ প্রয়োগ করা হয়েছে, মানুষের বেলায় সাধারণত এমনটি ঘটে না। সেক্ষেত্রে বিকিরণের মাত্রা একেবারে কম।

দুই বছর ধরে দিনে গড়ে ৯ ঘণ্টা করে ইঁদুরের শরীরে উচ্চমাত্রার বিকিরণ প্রয়োগ করার ওপর প্রাণীটির শরীরে টিউমার ধরা পড়ে। তবে মোবাইলে বিকিরণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর কিনা, এই গবেষণার পর তা নিয়ে একটা বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

গামা রশ্মি, র‍্যাডন ও এক্স-রে মানুষের শরীরের রাসায়নিক বন্ধনটা ভেঙে দিতে পারে। যে কারণে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু মোবাইল থেকে যে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি নির্গত হয়, এটি এক ধরনের আয়ন ছাড়া বিকিরণ।

উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- এ ধরনের বিকিরণ নির্গত হওয়ার আগে তাপ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে। এতে মানুষের মস্তিষ্কের কোষের তৎপরতায় পরিবর্তন ঘটে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা।