বুধবার, ১০ জানু ২০১৮ ১০:০১ ঘণ্টা

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে দুর্গাপুরে আ’লীগের দুগ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-ভাংচুর

Share Button

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে দুর্গাপুরে আ’লীগের দুগ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-ভাংচুর

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে রাজশাহীর দুর্গাপুরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারার সমর্থকরা আওয়ামী লীগের অপর গ্রুপের নেতা আবদুল মজিদের সমর্থকদের ব্যানার ফেস্টুন ও দোকান ভাংচুর করার খবর পাওয়া গেছে।

তবে পুলিশের বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মিছিল বের করে এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারার সমর্থকরা।

মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেডিকেল মোড়ে এসে শেষ হয়।

পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি শামসুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় পৌর ভবনের সামনে থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল মজিদ, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মুনছুর রহমান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে আরেকটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি থানা মোড়ের সামনে দিয়ে উপজেলা মোড়ে অবস্থান নেয়।

এ সময় এমপি দারার সমর্থকরা খবর পেয়ে পথসভা শেষ করে পুনরায় মিছিল নিয়ে উপজেলা মোড়ে অবস্থান নেয়া মজিদ ও তোফাজ্জল সমর্থকদের ধাওয়া করে।

তবে পুলিশ তার আগেই উপজেলা পরিষদের ভেতর দিয়ে মজিদ এবং তোফাজ্জল সমর্থকদের থানা মোড় হয়ে সিংগা বাজার পার করে দেয়। ফলে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

এরপর এমপি দারার সমর্থকরা বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় তারা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মজিদ, ডা. মুনছুর এবং আহসানুল হক মাসুদের ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেন।

একপর্যায়ে তারা মজিদের পক্ষের উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সহ-সভাপতি নুর ইসলামের ওষুধের দোকান ভাংচুর করা হয়। পরে পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয়।

এ ব্যাপারে দুর্গাপুর থানার ওসি রুহুল আলম জানান, উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা বর্তমানে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন। কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।