মঙ্গলবার, ০৯ জানু ২০১৮ ০৭:০১ ঘণ্টা

ফের অর্ধলাখ টাকা ছাড়িয়েছে সোনার ভরি

Share Button

ফের অর্ধলাখ টাকা ছাড়িয়েছে সোনার ভরি

আবারও ভরিতে ১ হাজার ৪শ টাকা বেড়েছে সোনার দাম। এরফলে ২২ ক্যারটের (সবচেয়ে ভাল মানের) প্রতি ভরি সোনার দাম দাড়িয়েছে ৫০ হাজার ৭৩৮ টাকা।

বুধবার থেকে এ দাম কার্যকর হবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর আগে গত নভেম্বরে দাম বেড়েছিল। তবে ডিসেম্বর শুরুতে কিছুটা কমলেও শেষদিকে আবার বাড়ানো হয়। এরপর মঙ্গলবার আবারও দাম বাড়ানো হল। অর্থাৎ সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে উঠানামা করছে।

বাজুস নেতারা জানান, বিয়ের মৌসুম, বড়দিন এবং নতুন বছরকে সামনে রেখে স্থানীয় বাজারে সোনার চাহিদা বেশ বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় সরবরাহ কম। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে (দুবাই) মঙ্গলবার গ্রাম সোনার দাম ছিল ৪০ ডলার। এ হিসাবে স্থানীয় মুদ্রায় প্রতিভরির দাম পড়ে (প্রতি ডলার ৮০ টাকা হিসাবে) ৩৮ হাজার ১শ টাকা। ফলে দাম দুবাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশি বাজারে ভরিতে পার্থক্য ১২ হাজার ৬শ টাকা। অর্থাৎ সোনার বাজারে বিশৃংখলা চলছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ৭৩৮ টাকা। মঙ্গলবার ৪৯ হাজার ৩৩৮ টাকা ভরি বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে ভরিতে দাম বাড়লো ১ হাজার ৪শ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারটের প্রতি ভরি ৪৭ হাজার ১২২ টাকা থেকে বেড়ে ৪৮ হাজার ৪০৫ টাকায় বিক্রি হবে। এ হিসাবে ভরিতে দাম বেড়েছে ১ হাজার ২৮৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের সোনা প্রতি ভরি ৪১ হাজার ৮৭৩ টাকা থেকে বেড়ে ৪৩ হাজার ১৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। ফলে ভরিতে দাম বাড়লো ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ২৫ হাজার ৬৬০ টাকা থেকে ৮৭৫ বেড়ে ২৬ হাজার ৫৩৫ টাকায় উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে কমেছে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আগের দাম অনুসারে প্রতি ভরি রূপা ১ হাজার ৪৯ টাকায় বিক্রি হবে।

তবে একজন ক্রেতা কোনো জুয়েলারির দোকান থেকে স্বর্ণের অলংকার কিনতে চাইলে তাকে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। এরপর ভরিতে প্রায় ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি দিতে হয়।

জানা গেছে, মানভেদে দেশে চার ধরনের সোনা বিক্রি হয়। এরমধ্যে ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক পাঁচ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে। আর পুরনো স্বর্ণালংকার গলিয়ে তৈরি করা হয় সনাতন পদ্ধতির সোনা। এক্ষেত্রে বিশুদ্ধ সোনার পরিমাণ নির্দিষ্ট করা নেই।