প্রচ্ছদ

টাঙ্গাইলে আলোচিত ৩ ঘটনা

প্রকাশিত হয়েছে : ১১:১৫:৪৫,অপরাহ্ন ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ | সংবাদটি ৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

নানা ঘটনা-দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে রোববার শেষ হচ্ছে আরও একটি বছর। ২০১৭ সালে টাঙ্গাইলে ঘটে যায় নানা ঘটনা। এ বছরের ঘটে যায় ৩টি আলোচিত ঘটনা।

চলন্ত বাসে কলেজের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ২০১৭ সালে টাঙ্গাইলে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল চলন্ত বাসে ঢাকার আইডিয়াল ল’ কলেজের ছাত্রী রুপা খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।

এ বছর ২৫ আগস্ট সন্ধ্যায় রুপা খাতুন বগুড়ার থেকে ছোঁয়া পরিবহনের একটি বাসে ময়মনসিংহ রওনা হন। বাসটি কালিহাতী উপজেলা এলাকায় আসার পর রুপাকে একা পেয়ে বাসের সুপার ভাইজার, হেলপাররা ধর্ষন করে। পরে রুপাকে ঘার মোটকে হত্যা করে লাশ মধুপুর বনাঞ্চলে ময়নমসিংহ রোডে ফেলে রেখে যায়।

ঘটনার পর নিহত রুপার ভাই মধুপুর থানায় এসে রুপার লাশের ছবি দেখে লাশ শনাক্ত করেন। ঘটনাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচিত হয়। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছোঁয়া পরিবহনের চালক, হেলপার, সুপারভাইজার মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এরা পাঁচজনই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে। গত ২৭ নভেম্বর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার কাজ শুরু হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতার প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি:

এ বছর ১৫নভেম্বর টাঙ্গাইলের এক নং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুরুজকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। কারাদণ্ড হলেও সুরুজ গোপালপুর উপজেলা সদরে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতেন। সাজার বিরুদ্ধে সভা-সমাবেশও করেছেন।

গত ২৫ নভেম্বর গোপালপুর উপজেলা পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সুরুজ মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বক্তৃতা করেন। সেই মঞ্চে ইউএনও, ওসিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাটি ব্যাপক আলোচিত হয়। পরে সুরুজ আদালতে আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হন।

দুই যুবলীগ নেতার হত্যা ও লাশ গুম, রহস্য উদঘাটন:

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী মোহাম্মদ শামীম (২৮) ও মামুন মিয়া (২৫) ২০১২ সালের ১৬ জুলাই নিখোঁজ হন। এ বছর মার্চে চাঞ্চল্যকর এ মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়।

এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ গত মার্চে এই মামলা গ্রেফতারকৃত দুই আসামি সাহাদত হোসেন ওরফে সাধু (৪৫) এবং খন্দকার জাহিদুল ইসলাম (৩৮) আদালতে হাজির করে।

তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়ে জানান, নিখোঁজ হওয়ার দিনই সংসদ সংসদ আমানুর রহমান খান রানার নির্দেশে দুই যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার পর নদীতে লাশ ভাসিয়ে দেয়া হয়।

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com