সোমবার, ১৭ জুলা ২০১৭ ০৫:০৭ ঘণ্টা

জীবিতকে মৃত দেখিয়ে পুলিশ প্রতিবেদন আখাউড়া থানার ওসিকে হাইকোর্টে তলব

Share Button

জীবিতকে মৃত দেখিয়ে পুলিশ প্রতিবেদন আখাউড়া থানার ওসিকে হাইকোর্টে তলব

হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে পুলিশ প্রতিবেদন দেয়ার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদারকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী ২৩ জুলাই তাকে স্বশরীরে হাজির হয়ে এ ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
রুলে পুলিশি প্রতিবেদনে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো কেন বেআইনি হবে না- তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

স্বরাষ্ট্র সচিব, ধর্ম সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) ও আখাউড়া থানার ওসিকে এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মো. কায়সার জাহিদ ভূঁইয়া।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে হজে যেতে ইচ্ছুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানার আজাদ হোসেন ভূইয়াকে পুলিশ প্রতিবেদনে মৃত দেখানো হয়।

“আখাউড়ায় জীবিতকে মৃত দেখিয়ে পুলিশ প্রতিবেদন, বিএনপি নেতার হজে যাওয়া অনিশ্চিত” শিরোনামে শনিবার যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদের পরই পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসে।

এ ঘটনায় রোববার পুলিশ সদর দফতরের এক নির্দেশে তৎকালীন আখাউড়া থানার এসআই আবুল কালামের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।

তারা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি, হেড কোয়ার্টার) আবু সাঈদ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি, হেডকোয়ার্টার) আবু সাঈদ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি রোববার সকালে হাতে পান বলে যুগান্তরকে জানান।

ভুক্তভোগী মো. আজাদ হোসেন ভূঁইয়ার অভিযোগ, ‘খরচাপাতি’ ঘুষ না দেয়ায় এমনটি করেছেন আখাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক (বর্তমানে দাউদকান্দি থানায় কর্মরত) আবুল কালাম।

অবশ্য এসআই আবুল কালাম তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রমাণ করতে পারবে না বলে চ্যালেঞ্জ করে এ ঘটনার জন্য আখাউড়া থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার দায়ী বলেও যুগান্তরকে মোবাইল ফোনে জানান।