প্রচ্ছদ

বড়লেখা বিএনপির ১০ নেতাকর্মী কারাগারে

প্রকাশিত হয়েছে : ১১:৩১:৩২,অপরাহ্ন ০২ নভেম্বর ২০১৮ | সংবাদটি ১০ বার পঠিত

সিলেটেরকন্ঠডটকম

মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানার পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মীর জামিন না-মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (০১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ওই মামলায় মৌলভীবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাঁদের জামিন না-মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে উচ্চ আদালত থেকে পাওয়া চার সপ্তাহের জামিনে ছিলেন তাঁরা। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন।

নেতাকর্মীরা হলেন-উপজেলা বিএনপির প্রচার স¤পাদক আব্দুল কুদ্দুস স্বপন ও ছাত্র বিষয়ক স¤পাদক আব্দুল কাদির পলাশ, পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সদস্য ইকবাল হোসেন, বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক লোকমান হোসেন বায়েছ, পৌর বিএনপির অর্থ বিষয় সম্পাদক মো. সফিকুজ্জামান, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. রায়হান মুজিব ও আব্দুল মালিক, উপজেলা ছাত্রদল নেতা জাহিদুল ইসলাম মতিন ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শিপার আহমদ।

বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু বৃহস্পতিবার বিকেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন পুলিশের ওপর হামলার এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। অথচ পুলিশ ‘গায়েবী’ ঘটনা সাজিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আসামি করে মামলাটি করেছে। এরকম মিথ্যা মামলার জন্য ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছি।’

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, গত ১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণবাজার এলাকায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বড়লেখা-জুড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এতে দুপাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অবরোধ সরানোর কথা বললে বিএনপির নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রসহ দায়িত্বরত পুলিশের উপর আক্রমণ করেন। এতে কয়েকজন পুলিশ আহত হওয়ারও অভিযোগ আনা হয় মামলার এজাহারে।

তবে বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, ওইদিন পৌর শহরে সড়ক অবরোধ ও পুলিশের উপর হামলার মত কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এদিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পুলিশের দায়ের করা ‘গায়েবী’ মামলায় কারাগারে যাওয়া নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি করে কাতার বিএনপির সদস্য সচিব শরীফুল হক সাজু বলেন, ‘সামনে নির্বাচন। নেতা-কর্মীদের মাঠ থেকে সরাতে সরকারী নির্দেশনায় এই মামলা হয়েছিল। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা এ মামলা। এই দিন বড়লেখায় কোনো সহিংস ঘটনা ঘটেনি। সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com