প্রচ্ছদ

ইন্দোনেশিয়ায় সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৩৪ জন

প্রকাশিত হয়েছে : ৫:২৩:০১,অপরাহ্ন ০২ অক্টোবর ২০১৮ | সংবাদটি ১৯ বার পঠিত

সিলেটেরকন্ঠডটকম
TOPSHOT - Residents walk past destroyed buildings in the Perumnas Balaroa village in Palu, Indonesia's Central Sulawesi on October 2, 2018, after an earthquake and tsunami hit the area on September 28. - The bodies of dozens of students have been pulled from their landslide-swamped church in Sulawesi, officials said on October 2, as an international effort to help nearly 200,000 Indonesia quake-tsunami victims ground into gear. (Photo by Mohd RASFAN / AFP)

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প-পরবর্তী সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৩৪ জন। মঙ্গলবার দেশটির দুর্যোগ প্রশমন কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে ঠিকমতো সতর্কতা জারি করা গেলে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের পালু শহরে ভূমিকম্পের পর আছড়েপড়া সুনামিতে মৃত্যুর মিছিল থামানো যেত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে দ্বীপটিতে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সমুদ্র থেকে প্রায় ছয় মিটার উঁচু ঢেউ পালু শহরকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

ভূমিকম্প ও সুনামিতে এখন পর্যন্ত ১২৩৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ও ক্ষতি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, এখনও নিখোঁজ হাজারো মানুষ। ভূমিকম্পের তুলনায় সুনামিতে বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া ও ভূতত্ত্ব সংস্থা-বিএমকেজি সুনামি সতর্কতা জারি করে। কিন্তু সতর্কতা জারির প্রায় ৩৪ মিনিট পর তা তুলে নেয়া হয়। কেন এত দ্রুত সতর্কতা তুলে নেয়া হল তা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সতর্কবার্তায় সম্ভাব্য সুনামি কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে তা ঠিকভাবে ফুটে ওঠেনি এবং খুব দ্রুতই সতর্কতা তুলে নেয়ার কারণে লোকজন প্রাণ রক্ষায় সচেষ্ট না হয়ে মারা গেছে।

যদিও বিএমকেজি কর্মকর্তারা বলেন, তারা যে সময় পর্যন্ত সুনামি সতর্কতা জারি করেছিলেন, তার মধ্যেই সমুদ্র থেকে বিশাল আকারের তিনটি ঢেউ পালু শহরে আছড়ে পড়ে।

স্থানীয় দৈনিক জাকার্তা পোস্টকে বিএমকেজি প্রধান বলেন, আমাদের একজন কর্মী ঘটনাস্থল পালু শহরের পরিস্থিতি স্বচক্ষে দেখে আমাদের জানান। সেই সঙ্গে অন্যান্য সূত্র থেকে খবর পাওয়ার পর আমরা সতর্কতা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

তিনি বলেন, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। ৬টা ৩৭ মিনিটে তৃতীয় ঢেউ আছড়েপড়ার কয়েক মিনিট পর সতর্কতা তুলে নেয়া হয় এবং এর পর আর কোনো ঢেউ আঘাত হানেনি।

বিএমকেজির সুনামি সতর্কতায় শূন্য দশমিক ৫ থেকে ৩ মিটার উঁচু ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলা হয়েছিল। অথচ প্রথম ঢেউটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৬ মিটার।

এ বিষয়ে বিএমকেজির ভূমিকম্প ও সুনামি সেন্টারের প্রধান বলেন, প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। যেসব যন্ত্রপাতি আছে সেগুলোও নষ্ট হলে তহবিলের অভাবে আর মেরামত করা হয় না।

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com