প্রচ্ছদ

ওসমানী মেডিকেলের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা : একমাস পেরুলেও নেই কোনো অগ্রগতি

প্রকাশিত হয়েছে : ১২:৪৩:৪৮,অপরাহ্ন ১৯ আগস্ট ২০১৮ | সংবাদটি ১০২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাহিবুর রহমান ফয়ছল : সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক কর্তৃক রোগীর স্বজন (কিশোরী) ধর্ষণের এক মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত  তদন্তই শেষ করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি। তদন্তের স্বার্থে দুই দফা সময় নিয়েও এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে ব্যর্থতার মাঝেই ঘোরপাক খাচ্ছেন তারা।

তদন্ত কমিটির ব্যর্থতার পাশাপাশি পুলিশের তদন্ত টিমও বসে আছে ফরেনসিক রিপোর্টের অপেক্ষায়। এ অবস্থায় ঘটনার এক মাস পরও পুরো বিষয়টি শূন্যে ঝুলে আছে।

তবে ব্যর্থতার দায় নিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, অভিযুক্ত এবং ভিক্টিমের বক্তব্য গ্রহণে মহানগর আদালতের মুখ্য হাকিমের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বক্তব্য গ্রহণ হলেই তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে। আর পুলিশ বলছে, ফরেনসিক রিপোর্ট ছাড়া মামলার অগ্রগতি কোনোভাবে সম্ভব না।

এর আগে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজন (কিশোরী) ধর্ষণের অভিযোগে ইন্টার্ণ চিকিৎসক মাকামে মাহমুদ মাহী নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। মাহী ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার মোখলেসুর রহমানের পুত্র। সে ওসমানী মেডিক্যালের নাক, কান ও গলা বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক।

জানা যায়, ধর্ষিতা কিশোরী নবম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতেন। তিনি তার তার অসুস্থ নানির সঙ্গে রাতে হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। সে তার পরিবারের সঙ্গে সিলেট মহানগরীতেই থাকেন।

জানা যায়, রাতে ওই স্কুলছাত্রী ছাড়া আর কেউ রোগীর সঙ্গে ছিল না। রাতে ফাইল দেখার কথা বলে ডাক্তার মাহী ওই মেয়েটিকে একই ফ্লোরে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। সকালে বাবা-মা হাসপাতালে আসার পর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা তাদের জানায়।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ওসমানী মেডিকেল কলেজের ডেপুটি ডিরেক্টর জানান, তদন্ত বোর্ড খুব জোরালো ভাবে তাদের দায়িত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযুক্ত মাহী হাজতে থাকায় তার জবানবন্দি নিতে কিছু আইনি কাঠগড় পোহাতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে কোর্টে তদন্ত বোর্ড থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে এর উত্তর পেলেই বোর্ড তাদের অবস্থান খোলাসা করবে।

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com