প্রচ্ছদ

প্রজ্ঞাপন জারি করো, নইলে বুকে গুলি করো

প্রকাশিত হয়েছে : ৯:১০:১৩,অপরাহ্ন ১৪ মে ২০১৮ | সংবাদটি 0 বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘প্রজ্ঞাপন জারি করো, নইলে বুকে গুলি করো’ স্লোগানে মুখরিত করে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রংপুর প্রবেশের প্রাণকেন্দ্র মডার্ন মোড় অবরোধ করেন।

কোটা বাতিলের ঘোষণায় প্রজ্ঞাপন না হওয়ায় বিভিন্ন স্লোগানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), কারমাইকেল কলেজসহ অন্যান্য কলেজের শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করে মহাসড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।

এর আগে আন্দোলনকারীরা সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আবারও ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেবদারু রোডে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

আন্দোলনকারীরা, ‘কোটা নিয়ে টালবাহানা আর হবে না, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই, আর নয় কালক্ষেপণ দ্রুত চাই প্রজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। এতে বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

এরপর একাডেমিক ভবন-৩ এবং কবি হেয়াত মামুদ ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। ‘যত চাস রক্ত নে, কোটা থেকে মুক্তি দে; মা দিবসে করছি পণ, ফিরব নিয়ে প্রজ্ঞাপন; প্রজ্ঞাপনে কালক্ষেপণ, আন্দোলনের বীজ বপন; আর নয় বিজ্ঞাপন, দিতে হবে প্রজ্ঞাপন; কোটায় কোটায় সয়লাব, মেধাবীদের কি লাভ? বিভিন্ন স্লোগানে আন্দোলন জোরালো করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ফাঁড়ি পুলিশের অবস্থান লক্ষ করা যায়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন-সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের রংপুর বিভাগীয় আহ্বায়ক ওয়াদুদ সাদমান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকন ও সমন্বয়ক প্রিন্স।

সমাবেশে বক্তরা বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের বাস্তবায়ন চাই। আমরা টেবিলে বসে পড়তে চাই, ক্লাস করতে চাই আর আন্দোলন করতে চাই না। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করার আহ্বানও জানান তারা।

অবস্থান কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা রমজানের মধ্যেও আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রের যে কোনো কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।