সোমবার, ১৬ এপ্রি ২০১৮ ০৮:০৪ ঘণ্টা

‘জরুরী সেবা ৯৯৯’ ব্যবহার করে বিশ্বম্ভরপুরে ১১ ডাকাত গ্রেপ্তার

Share Button

‘জরুরী সেবা ৯৯৯’ ব্যবহার করে বিশ্বম্ভরপুরে ১১ ডাকাত গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ডলুরা গ্রামে ডাকাত হানা দিলে এলাকাবাসী পুলিশের জরুরী সেবাদানকারী ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করলে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযানে ১১ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে।

সোমবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের কাপনা ডলুরা গ্রামের অদুদ মিয়া ও জুলহাস মিয়ার বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দিলে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ।

সোমবার ভোররাতে ডাকাতির মালামালসহ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে নগদ ৩৯০০ টাকা, ১টি চেইন, ২টি মোবাইল ফোন, দেশীয় অস্ত্র রামদা, চাকু, একটি চাইনিজ কুড়াল ও স্ক্রু-ড্রাইভারসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

আটককৃতরা হলেন, সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার ষোলঘরের  রুবেল মিয়া (৩০) কাপনা গ্রামের বাচ্চু মিয়া (৩৫), বাহাদুরপুর গ্রামের কামাল মিয়া (৩৫), সিলেটের মানসিনগর গ্রামের আমিন মিয়া (২৮), হেংলাকান্দি গ্রামের মিজানুর রহমান (৪৫), নোয়াগাও গ্রামের আশরাফ আলী (৩৫), হবিগঞ্জের শিবপাশা গ্রামের সুমন মিয়া (২৫), দেবিপুর গ্রামের রাসেল মিয়া (৩০), শায়েস্তাগঞ্জ বাজারের এনাম মিয়া (৪০), জসিম উদ্দিন (৩০) ও সাদিকুর রহমান (২০)।

এ ব্যাপারে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, জুলহাসের বাড়িতে নৌকা বানানোর লাখখানেক টাকা ছিলো। ডাকাত দলের সদস্যরা জানতে পেরে সোমবার ভোরে জুলহাসের বাড়িতে ডাকাতি করতে হানা দেয়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুলিশ তাদের আটক করে। ডাকাতির ঘটনায় জুলহাস ও সবুজ মিয়া নামের দুই ব্যক্তি আহত হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা মনির হোসেন জানান, সোমবার ভোরে জরুরী সেবায় এসএমএস পেয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কাপনা গ্রাম থেকে ডাকাতদের আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে।