প্রচ্ছদ

বড়লেখায় ব্যবসায়ী হত্যা: ২০ মাস পর যুবক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে : ১১:০২:১৭,অপরাহ্ন ১২ এপ্রিল ২০১৮ | সংবাদটি ৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ ওরফে ছাদ (৬৫) হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জুমন ওরফে জুম্মন (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (৯ এপ্রিল) ঘটনার প্রায় ২০ মাস পর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার খিদিরপুর থেকে জুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি পুলিশ।

জুমন মোহনগঞ্জ উপজেলার খিদিরপুরের আবুল কাশেমের ছেলে। জুমনের বাড়ি নেত্রকোনা হলেও পরিবারের সাথে বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম এলাকাতেই তিনি বসবাস করতেন।

সিআইডি, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মজিদের বাড়ি বড়লেখা উপজেলার নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের উত্তর চান্দগ্রাম-বাদেকিদুর গ্রামে। চান্দগ্রাম বাজারে আব্দুল মজিদের মুদি দোকান ছিল। ২০১৬ সালের ১৪ জুলাই রাতে আব্দুল মজিদ চান্দগ্রাম বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলেও বাড়ি যাননি। পরদিন ১৫ জুলাই তার পরিবারের পক্ষ থেকে বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

এদিকে ১৮ জুলাই রাতে স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে পুলিশ উত্তর চান্দগ্রামের একটি বাড়ির বাঁশঝাড়ের নিচ থেকে আব্দুল মজিদের লাশ উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের দুদিন পর ২০১৬ সালের ২০ জুলাই আব্দুল মজিদের ছেলে ইমাম হোসেন বড়লেখা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পরে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সিআইডির দীর্ঘ তদন্ত শেষে গ্রেপ্তার করা জুমন বুধবার (১১ জুলাই) আদালতে হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে বলে জানা যায়। এসময় জুমন আরও কয়েকজনের নাম বলেছে। সিআইডি তার দেওয়া তথ্য যাচাইবাছাই করে দেখছে বলে জানা যায়।

সিআইডি মৌলভীবাজার জেলার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আব্দুল মজিদ সাথে নগদ টাকা রাখতেন। টাকার জন্য আব্দুল মজিদকে হত্যা করা হতে পারে। জুমন টাকা পাওয়ার কথা বলেছে। সে আরও যেসব তথ্য দিয়েছে আমরা তা যাচাইবাছাই করে দেখছি।’

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com