বুধবার, ১৪ ফেব্রু ২০১৮ ০২:০২ ঘণ্টা

গোলাপগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলায় তরুণের ৫ বছরের কারাদণ্ড

Share Button

গোলাপগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলায় তরুণের ৫ বছরের কারাদণ্ড

সিলেটের গোলাপগঞ্জে চার বছরের এক শিশু কন্যা ধর্ষণ মামলায় এক তরুণের ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের শিশু আদালত ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক এ. এম. জুলফিকার হায়াত এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম সায়েম আহমদ ওরফে সায়েম (২০)। সে উপজেলার নিজ ঢাকাদক্ষিণ গ্রামের সফিকুর রহমানের পুত্র।

২০১৬ সালের ৫ মার্চ দুপুর ২টার দিকে ওই গ্রামের ৪ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করে সায়েম। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার এ মামলার রায় দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি এডভোকেট মো. নিজাম উদ্দিন ও আসামীপক্ষে এডভোকেট মোহাম্মদ মিসবাহুর রহমান এবং বাদিপক্ষে এডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন মামলাটি পরিচালনা করেন।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ মার্চ দুপুর ২ টার দিকে দণ্ডপ্রাপ্ত সায়েম আহমদ ৪ বছরের শিশু কন্যাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার ঘরের একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি শিশুটির ভাই দেখতে পেয়ে ঘটনাটি তার মা ও ফুফুকে বিষয়টি জানায়। তারা ঘটনাটির খবর শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে চিৎকার করে লোকজন আসতে থাকলে এ সুযোগে সায়েম আহমদ পালিয়ে যায়। পরে তারা শিশু কন্যাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ধর্ষিত শিশু কন্যার পিতা বাদি হয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ধর্ষক সায়েম আহমদকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৪ (৬-০৩-২০১৬)।

মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ মে গোলাপগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক কামাল হোসেন সায়েম আহমদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং এক বছরের ১০ আগস্ট থেকে আদালত এ মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

১৬ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক আসামী সায়েম আহমদকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/০৩) এ ৯ (৪) (খ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে এ দণ্ড দেন।